মুখোশ/বিশ্বনাথ পাল





একদিন সব মুখোশ যাবে খসে
ভাদ্রের পাকা তাল নির্ভাবনায় যেমন মাটিতে মেশে।
একদিন সব মুখোশ যাবে খসে

অস্পৃশ্য মুখোশগুলি,উটকো
ঝড়ে
মুখের কাছে আসবে দৌড়ে খুবই জোরে ।
করবে না কোন রাখঢাক
বলবে ভদ্রতা-নেকামি সব তোলা থাক।
আমাকে ঢাল করে
কত প্রফিট তুললে ঘরে
কত মানুষকে ঠকালে ,
'তুমি' স্রেফ "তুমি নও" বলে।

পচা শামুকেও কাঠে পা।
বিষ তেলে বাড়ে ঘা।
তবে কেন বড়দা
মুখের আদলে পরদা
না সরিয়ে অভিনয় করে গেলে।
সূর্য নেমেছে পাটে ,যাবে অস্তাচলে
মুখ ভেবে মুখোশ যখন
অঙ্গে করছিলাম বরণ
তখন আমি ঢেকেছি নিজেই নিজের মরণ।
পড়শির বিপদ এড়াতে।
ঘাপটি মেরে থেকেছি ফাঁদ পেতে।
মুখোশের বাহানায়
এড়িয়ে গেছি চেনা ভিখারীকে,
সাহেবি কায়দায় ।
আমিই একমাত্র এ বাজারে মহান একথা বলে
মুখোশ না পরা মানুষটাকে যে চিনত পলে পলে
মুখোশহীন মুখের আসল মুখোশ!!
সত্যিই যদি চিনত তবে হত না আফশোস ।
মহামারী নয় ,অতিমারির এই দিনে
এসো আমরা সবাই টেনে ছিঁড়ি
সেই অদৃশ্য মুখ -বন্ধনে।
যে মুখোশ ধূর্ত বানায়, পিশাচ বানায়, বানায় জহ্লাদ
মানুষ মরার সংকটে আজ দিয়ে দাও বাদ।
সভ্যতা আর সময় এ সংকটে করছে দাবী
অদৃশ্য মুখোশে আর মুখ ঢেকো না ---মানব -মানবী।

Post a Comment

0 Comments